বিমানবন্দরে হামের রোগী, ভয়ে হুলুস্থুল যাত্রীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫ ৯৬ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েক মাসে আমেরিকায় বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসজনিত রোগ হাম । সম্প্রতি এক হাম আক্রান্ত ভ্রমণকারী নিউয়ার্ক লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের টার্মিনাল বি ব্যবহার করার পর নিউ জার্সি হেলথ ডিপার্টমেন্ট জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ১৯ অক্টোবর দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ওই আক্রান্ত ব্যক্তি বিমানবন্দরের টার্মিনাল বি-তে ছিলেন। যদিও তিনি নিউ জার্সির বাসিন্দা নন, তবুও ওই নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকা অন্যান্য যাত্রীরা তার মাধ্যমে হাম ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউ জার্সি হেলথ ডিপার্টমেন্ট ওই সময়ের যাত্রীদের নিজেদের শরীরে হামের কোনো উপসর্গ আছে কিনা, তা সতর্কভাবে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে সবাইকে হাম, মাম্পস ও রুবেলা টিকার সর্বশেষ ডোজ নেওয়া আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আমেরিকায় হামের প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। এ পর্যন্ত ৪২টি স্টেটে মোট ১ হাজার ৬৪৮টি হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

টানা তুষারপাতে এভারেস্ট অঞ্চলে আটকা ১৫০০ পর্যটক
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যারা ওই আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন, ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর ১১-১২ দিন সুপ্ত থাকার কারণে নভেম্বরের ৯ তারিখ পর্যন্ত তাঁদের শরীরে কোনো উপসর্গ নাও দেখা দিতে পারে।

হামের লক্ষণ ও ঝুঁকি
হাম একটি সংক্রামক রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে নির্গত ছোট ফোঁটার মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো-

১. তীব্র জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া।

২. চোখ লাল ও পানি ঝরা।

৩. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পুরো শরীরে ফুসকুড়ি বা লাল দাগের মতো র‍্যাশ দেখা দেওয়া।

মায়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ মানুষ প্রায় ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের জন্য হাম খুবই গুরুতর এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিমানবন্দরে হামের রোগী, ভয়ে হুলুস্থুল যাত্রীরা

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

গত কয়েক মাসে আমেরিকায় বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসজনিত রোগ হাম । সম্প্রতি এক হাম আক্রান্ত ভ্রমণকারী নিউয়ার্ক লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের টার্মিনাল বি ব্যবহার করার পর নিউ জার্সি হেলথ ডিপার্টমেন্ট জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ১৯ অক্টোবর দুপুর ২টা ১৫ মিনিট থেকে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ওই আক্রান্ত ব্যক্তি বিমানবন্দরের টার্মিনাল বি-তে ছিলেন। যদিও তিনি নিউ জার্সির বাসিন্দা নন, তবুও ওই নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকা অন্যান্য যাত্রীরা তার মাধ্যমে হাম ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নিউ জার্সি হেলথ ডিপার্টমেন্ট ওই সময়ের যাত্রীদের নিজেদের শরীরে হামের কোনো উপসর্গ আছে কিনা, তা সতর্কভাবে লক্ষ্য রাখার আহ্বান জানিয়েছে। সেই সঙ্গে সবাইকে হাম, মাম্পস ও রুবেলা টিকার সর্বশেষ ডোজ নেওয়া আছে কিনা, তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।

সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে আমেরিকায় হামের প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। এ পর্যন্ত ৪২টি স্টেটে মোট ১ হাজার ৬৪৮টি হাম আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি।

টানা তুষারপাতে এভারেস্ট অঞ্চলে আটকা ১৫০০ পর্যটক
স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যারা ওই আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন, ভাইরাস শরীরে ঢোকার পর ১১-১২ দিন সুপ্ত থাকার কারণে নভেম্বরের ৯ তারিখ পর্যন্ত তাঁদের শরীরে কোনো উপসর্গ নাও দেখা দিতে পারে।

হামের লক্ষণ ও ঝুঁকি
হাম একটি সংক্রামক রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে নির্গত ছোট ফোঁটার মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। এর প্রধান লক্ষণগুলো হলো-

১. তীব্র জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া।

২. চোখ লাল ও পানি ঝরা।

৩. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পুরো শরীরে ফুসকুড়ি বা লাল দাগের মতো র‍্যাশ দেখা দেওয়া।

মায়ো ক্লিনিকের তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ মানুষ প্রায় ১০ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠেন। তবে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং যাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল, তাদের জন্য হাম খুবই গুরুতর এমনকি প্রাণঘাতীও হতে পারে।