বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গাইলেন কংগ্রেস নেতা, তোলপাড় ভারতে
- আপডেট সময় : ০৭:২৩:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের দক্ষিণ আসামে এক কংগ্রেস সভায় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ গাওয়াকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কংগ্রেসের স্থানীয় এক নেতা সভায় গানটি পরিবেশন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে বিজেপিসহ কট্টর রাজনৈতিক দলগুলো ক্ষোভ প্রকাশ করে তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, শ্রীভূমি জেলার কংগ্রেস সেবা দলের এক সভায় দলের কর্মী বিধু ভূষণ দাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আমার সোনার বাংলা’ গানটি পরিবেশন করেন। বিজেপি দাবি করেছে, তিনি আসলে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত গেয়েছেন।
এ ঘটনায় বিজেপি নেতারা কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থান ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আসামের মন্ত্রী কৃষ্ণেন্দু পাল বলেন, কংগ্রেসের কাজকর্ম সবই অদ্ভুত। তারা জানে না কখন বা কী গাইবে। ভিডিওটি আমি দেখব এবং প্রয়োজনে পুলিশের মাধ্যমে তদন্তের ব্যবস্থা নেব।
অন্যদিকে কংগ্রেস এ অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। দলের জেলা মিডিয়া সেলের প্রধান শাহাদাত আহমেদ চৌধুরী জানান, বিধু ভূষণ দাস স্পষ্টভাবেই বলেছিলেন যে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করছেন। গানটি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে লেখা হয় যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হলেও, মূলত এটি এক ঐতিহাসিক বাংলা গান ও সাহিত্যিক সম্পদ।
তিনি আরও বলেন, দাস প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবসে ইন্দিরা ভবনে ভারতের পতাকা উত্তোলন করেন। তার গান গাওয়ার মধ্যে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই; এটি কেবল মাতৃভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ।
গাছ দিয়ে তৈরি ২২ চাকার ভেসপায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন যুবক
কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি বিষয়টিকে অযথা রাজনৈতিক রঙ দিচ্ছে, অথচ এটি ছিল কেবল একটি সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। তবে বিজেপি এখনও তদন্তের দাবিতে অনড় রয়েছে।























