বিদ্যুৎ বিল দেখে হতভম্ব দিনমজুর খোকন বিশ্বাস!

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ১৪১ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার আজমপুর গ্রামের দিনমজুর খোকন বিশ্বাসের টিনের ঘরে দুটি ফ্যান, দুটি বাল্ব ও একটি ফ্রিজ ব্যবহার হয়। চলতি মাসে তার হাতে এসেছে ৩৩ হাজার ৪৫০ টাকার বিল।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এই অস্বাভাবিক বিলের ঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন খোকন বিশ্বাস।

তিনি বলেন, আমাদের ব্যবহার তো আগের মতোই, তবু বিল এসেছে অনেক টাকা। এত টাকা দেব কীভাবে?

উপজেলাটির রামচন্দ্রপুর, দত্তনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। কারও এক হাজার টাকার জায়গায় এসেছে ৮ হাজার, কারও ৩ হাজার টাকার জায়গায় ১৫ হাজার।

মহেশপুর ভৈরবা বাজারের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, আমার দোকানে শুধু একটি ফ্যান আর দুইটি লাইট চলে। সাধারণত বিল আসে এক হাজার টাকার মতো, এবার এসেছে সাড়ে ৮ হাজার টাকা। অফিসে গেলে বলে তদন্ত চলছে।

মামার বাড়ি থেকে ভাগনির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মিটার রিডিং না নিয়ে গড় হিসাবের ভিত্তিতে বিল তৈরি করায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহেশপুর জোনাল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী অভিজিৎ সাহা বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। কিছু গ্রাহকের বিল অস্বাভাবিক বেশি এসেছে-তদন্ত চলছে। যদি মিটারে ত্রুটি পাওয়া যায় বা রিডিংয়ে ভুল হয়ে থাকে, সংশোধন করা হবে। আর কেউ অনিয়মে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ বিল দেখে হতভম্ব দিনমজুর খোকন বিশ্বাস!

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার আজমপুর গ্রামের দিনমজুর খোকন বিশ্বাসের টিনের ঘরে দুটি ফ্যান, দুটি বাল্ব ও একটি ফ্রিজ ব্যবহার হয়। চলতি মাসে তার হাতে এসেছে ৩৩ হাজার ৪৫০ টাকার বিল।

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) এই অস্বাভাবিক বিলের ঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন খোকন বিশ্বাস।

তিনি বলেন, আমাদের ব্যবহার তো আগের মতোই, তবু বিল এসেছে অনেক টাকা। এত টাকা দেব কীভাবে?

উপজেলাটির রামচন্দ্রপুর, দত্তনগরসহ বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। কারও এক হাজার টাকার জায়গায় এসেছে ৮ হাজার, কারও ৩ হাজার টাকার জায়গায় ১৫ হাজার।

মহেশপুর ভৈরবা বাজারের ব্যবসায়ী জাকির হোসেন বলেন, আমার দোকানে শুধু একটি ফ্যান আর দুইটি লাইট চলে। সাধারণত বিল আসে এক হাজার টাকার মতো, এবার এসেছে সাড়ে ৮ হাজার টাকা। অফিসে গেলে বলে তদন্ত চলছে।

মামার বাড়ি থেকে ভাগনির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মিটার রিডিং না নিয়ে গড় হিসাবের ভিত্তিতে বিল তৈরি করায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহেশপুর জোনাল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী অভিজিৎ সাহা বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। কিছু গ্রাহকের বিল অস্বাভাবিক বেশি এসেছে-তদন্ত চলছে। যদি মিটারে ত্রুটি পাওয়া যায় বা রিডিংয়ে ভুল হয়ে থাকে, সংশোধন করা হবে। আর কেউ অনিয়মে জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।