হামলায় কত পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে, জানাল তালেবান সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

সন্ত্রাসী সংগঠন টিটিপির প্রধান নেতাকে লক্ষ্য গত ১০ অক্টোবর রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। এ ঘটনার একদিন না যেতেই শনিবার রাতে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় গুলিবর্ষণ করে আফগান বাহিনী। পাক সেনাদের পাল্টা আক্রমণে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে রাতভর। আফগান কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় পাকিস্তানের অন্তত ৫৮ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। তবে, পাকিস্তান এখনও আফগান সরকারের এই দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

তালেবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদের বরাত দিয়ে রোববার (১২ অক্টোবর) কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আফগান বাহিনী ২৫টি পাকিস্তানি সেনা পোস্ট দখল করেছে, ৫৮ জন সৈন্য হত্যা করেছে এবং ৩০ জন আহত হয়েছে।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তান কী যুদ্ধে জড়াচ্ছে?
তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তানের সমস্ত সরকারি সীমান্ত এবং কার্যত রেখার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অবৈধ কার্যকলাপ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা হয়েছে।

তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিপক্ষ যদি আবারও আফগানিস্তানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তাহলে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সীমান্ত রক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং কঠোর জবাব দেবে।

এদিকে, পাক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জিও নিউজ জানিয়েছে, আঙ্গুর আড্ডা, বাজাউর এবং কুর্রামসহ বেশ কয়েকটি সীমান্ত পয়েন্টে বিনা উসকানিতে গুলিবর্ষণ শুরু করে আফগানিস্তান। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তার প্রতিক্রিয়ায় কামান, ট্যাঙ্ক এবং হালকা ও ভারী উভয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এতে বেশ কয়েকটি আফগান পোস্ট ধ্বংস এবং ‘সেনা ও সন্ত্রাসীদের’ ব্যাপক ক্ষতি করা হয়।

পাক সেনাবাহিনীর দাবি, ডুরান মেলা, তুর্কমানজাই, শহিদান, কুনার, চাগাইসহ সীমান্তের ১৯টি আফগান পোস্ট দখল করা হয়েছে। সংঘাতের সময় এসব পোস্টে কয়েক ডজন আফগান সেনা নিহত এবং আহত হয়েছেন। তাদেরকে ফেলে রেখেই কর্মকর্তা ও সদস্যরা পালিয়েছেন।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেছিলেন, বেসামরিক লোকজনের ওপর আফগান বাহিনীর গোলাবর্ষণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। কোনো উসকানি সহ্য করা হবে না। পাকিস্তানের জনগণ দেশের সেনাবাহিনীর পাশেই আছে। আফগানিস্তানকেও ভারতের মতোই উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

হামলায় কত পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে, জানাল তালেবান সরকার

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

সন্ত্রাসী সংগঠন টিটিপির প্রধান নেতাকে লক্ষ্য গত ১০ অক্টোবর রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিমান হামলা চালায় পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। এ ঘটনার একদিন না যেতেই শনিবার রাতে সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় গুলিবর্ষণ করে আফগান বাহিনী। পাক সেনাদের পাল্টা আক্রমণে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে রাতভর। আফগান কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় পাকিস্তানের অন্তত ৫৮ পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়েছে। তবে, পাকিস্তান এখনও আফগান সরকারের এই দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

তালেবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদের বরাত দিয়ে রোববার (১২ অক্টোবর) কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।

জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, আফগান বাহিনী ২৫টি পাকিস্তানি সেনা পোস্ট দখল করেছে, ৫৮ জন সৈন্য হত্যা করেছে এবং ৩০ জন আহত হয়েছে।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তান কী যুদ্ধে জড়াচ্ছে?
তিনি আরও বলেন, আফগানিস্তানের সমস্ত সরকারি সীমান্ত এবং কার্যত রেখার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং অবৈধ কার্যকলাপ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা হয়েছে।

তালেবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রতিপক্ষ যদি আবারও আফগানিস্তানের আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘন করে, তাহলে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী দেশের সীমান্ত রক্ষার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং কঠোর জবাব দেবে।

এদিকে, পাক নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জিও নিউজ জানিয়েছে, আঙ্গুর আড্ডা, বাজাউর এবং কুর্রামসহ বেশ কয়েকটি সীমান্ত পয়েন্টে বিনা উসকানিতে গুলিবর্ষণ শুরু করে আফগানিস্তান। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তার প্রতিক্রিয়ায় কামান, ট্যাঙ্ক এবং হালকা ও ভারী উভয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে। এতে বেশ কয়েকটি আফগান পোস্ট ধ্বংস এবং ‘সেনা ও সন্ত্রাসীদের’ ব্যাপক ক্ষতি করা হয়।

পাক সেনাবাহিনীর দাবি, ডুরান মেলা, তুর্কমানজাই, শহিদান, কুনার, চাগাইসহ সীমান্তের ১৯টি আফগান পোস্ট দখল করা হয়েছে। সংঘাতের সময় এসব পোস্টে কয়েক ডজন আফগান সেনা নিহত এবং আহত হয়েছেন। তাদেরকে ফেলে রেখেই কর্মকর্তা ও সদস্যরা পালিয়েছেন।

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি বলেছিলেন, বেসামরিক লোকজনের ওপর আফগান বাহিনীর গোলাবর্ষণ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন। কোনো উসকানি সহ্য করা হবে না। পাকিস্তানের জনগণ দেশের সেনাবাহিনীর পাশেই আছে। আফগানিস্তানকেও ভারতের মতোই উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।