সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকরা বললেই খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়া হবে: ডা. জাহিদ ভারতে কতদিন থাকতে চান তা একান্তই শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত: জয়শঙ্কর খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান জামায়াত নেতাকে কোপালো নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী প্রশান্ত মহাসাগরের রহস্যময় গর্ত নিয়ে যা জানা গেলো  ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আ.লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু: তারেক রহমান ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে সরকারি চাকরিজীবী নিহত বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ছাগল চুরি করে নিয়ে গেল বিএসএফ বাংলাদেশ ও চীনকে সঙ্গে নিয়ে শক্তিশালী জোটের পরিকল্পনা পাকিস্তানের ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সংসদে ঢুকে পড়া গাধার ভিডিও, যা জানা গেল
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকরা বললেই খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়া হবে: ডা. জাহিদ ভারতে কতদিন থাকতে চান তা একান্তই শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত: জয়শঙ্কর খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান জামায়াত নেতাকে কোপালো নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী প্রশান্ত মহাসাগরের রহস্যময় গর্ত নিয়ে যা জানা গেলো  ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আ.লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু: তারেক রহমান ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে সরকারি চাকরিজীবী নিহত বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ছাগল চুরি করে নিয়ে গেল বিএসএফ বাংলাদেশ ও চীনকে সঙ্গে নিয়ে শক্তিশালী জোটের পরিকল্পনা পাকিস্তানের ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সংসদে ঢুকে পড়া গাধার ভিডিও, যা জানা গেল

চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেন কিনতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার? 

সময়ের সন্ধানে প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৬:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫ ১৫১ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

চীনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক জে-১০সি মডেলের ২০টি যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আর এতে খরচ হবে ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। মূলত নির্বাচনের ম্যান্ডেট নিয়ে আসা ক্ষণস্থায়ী এই সরকার হঠাৎ কেন এত বড় একটি ক্রয় চুক্তি করতে যাচ্ছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসেও সম্প্রতি এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চীনের তৈরি ২০টি জে -১০ সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

চলতি ২০২৫-২৬ এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই চুক্তিটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে বলেও এই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে, সরাসরি ক্রয় অথবা জিটুজি পদ্ধতিতে চীন সরকারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এগুলো কেনা হবে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিরক্ষার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ খাতের কেনাকাটার ক্ষেত্রে কেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার? তাছাড়া, যখন নির্বাচনের আর মাত্র পাঁচ মাস বাকি, এমন সময়ে প্রতিরক্ষা খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় সিদ্ধান্ত ভাবাচ্ছে সামরিক খাতের বিশেষজ্ঞদেরও।

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া স্ট্যাটাসে অবশ্য যুদ্ধবিমান কেনার কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি লাইন উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করতেই ২০টি যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে সরাসরি কেনা হবে, নাকি জিটুজি পদ্ধতিতে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তি হবে, সেটি পরিষ্কার করা হয়নি তার স্ট্যাটাসে।

উল্লেখ্য, গত বছর অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত মার্চে চীন সফর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এই সরকারের মেয়াদকালে দফায় দফায় চীন সফর করেছেন।

এরই মধ্যে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী ভোটের আগে এই সরকারের হাতে আছে মাত্র চার মাসের মতো।

ফলে, নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্রয়চুক্তি করা এই সরকারের জন্য কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে সন্দিহান সামরিক খাতের বিশেষজ্ঞরা।

তবে, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও যুদ্ধের প্রস্তুতি সংক্রান্ত নিরাপত্তা সক্ষমতা (ডেফারেন্স) বজায় রাখতে বাংলাদেশের যুদ্ধবিমান কেনা প্রয়োজন বলেও স্বীকার করেন তারা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আ.ন.ম মুনীরুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, যে কোনো দেশকে হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষার জন্য যুদ্ধবিমানসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে হয়।

তবে তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার নয়, বরং নির্বাচিত সরকারেরই এই ক্রয় সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত।

বিবিসি বাংলাকে তিনি আরও বলেন, কোনো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যারা সাময়িকভাবে দেশের শাসনভার নিয়েছেন এবং তারা তাদের তাদের মেয়াদের শেষ প্রান্তে চলে আসছেন, বলতে গেলে ইলেকশনের থেকে খুব কাছাকাছি সময় এরকম বড় ধরনের কোনো কেনাকাটার দিকে সেই সরকারের হস্তক্ষেপ করা উচিত না বলে আমি মনে করি।

আ.ন.ম মুনীরুজ্জামান বলেন, এই যুদ্ধবিমানগুলো কিনতে প্রায় দুই দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে। কাজেই এতো বড় একটা ক্রয় যেটা তারা করার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা পরবর্তী যে নির্বাচিত সরকার আসবে তাদের ঘাড়ে গিয়ে পড়বে। কাজেই এই ধরনের সিদ্ধান্তটা সাধারণত এই শেষ মুহূর্তে এসে কোনো সরকারের নেওয়া উচিত হবে না।

তিনি মনে করেন, যেহেতু একটা নির্বাচিত সরকারের দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ, সেক্ষেত্রে তাদের ওপরই এই সিদ্ধান্তের ভার দেওয়া উচিত।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলেও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে বেশ তোড়জোড় ও আলোচনা হতে দেখা গিয়েছিল। ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশের যুদ্ধবিমান ক্রয় সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হয় বলে জানান সামরিক খাতের বিশেষজ্ঞরা।

সেসময় বাংলাদেশ ফ্রান্সের তৈরি রাফাল, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ইউরো ফাইটার টাইফুন এবং যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-১৬; এই তিনটি থেকে কোন যুদ্ধবিমান কেনা হবে; সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরে, ২০২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। সেসময় ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

তবে, করোনা মহামারীর সময় আর্থিক সংকটে এসব আলোচনা থমকে গিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবার যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা সামনে এলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেন কিনতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার? 

আপডেট সময় : ০৬:১১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

চীনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক জে-১০সি মডেলের ২০টি যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আর এতে খরচ হবে ১৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি। মূলত নির্বাচনের ম্যান্ডেট নিয়ে আসা ক্ষণস্থায়ী এই সরকার হঠাৎ কেন এত বড় একটি ক্রয় চুক্তি করতে যাচ্ছে, তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে।

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ফেসবুক প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসেও সম্প্রতি এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, চীনের তৈরি ২০টি জে -১০ সিই মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

চলতি ২০২৫-২৬ এবং ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই চুক্তিটি বাস্তবায়নের আশা করা হচ্ছে বলেও এই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে, সরাসরি ক্রয় অথবা জিটুজি পদ্ধতিতে চীন সরকারের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে এগুলো কেনা হবে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিরক্ষার মতো এত গুরুত্বপূর্ণ খাতের কেনাকাটার ক্ষেত্রে কেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার? তাছাড়া, যখন নির্বাচনের আর মাত্র পাঁচ মাস বাকি, এমন সময়ে প্রতিরক্ষা খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ ক্রয় সিদ্ধান্ত ভাবাচ্ছে সামরিক খাতের বিশেষজ্ঞদেরও।

স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া স্ট্যাটাসে অবশ্য যুদ্ধবিমান কেনার কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে একটি লাইন উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন এবং জাতীয় আকাশ প্রতিরক্ষাকে শক্তিশালী করতেই ২০টি যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে সরাসরি কেনা হবে, নাকি জিটুজি পদ্ধতিতে যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তি হবে, সেটি পরিষ্কার করা হয়নি তার স্ট্যাটাসে।

উল্লেখ্য, গত বছর অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত মার্চে চীন সফর করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এই সরকারের মেয়াদকালে দফায় দফায় চীন সফর করেছেন।

এরই মধ্যে আগামী বছর ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী ভোটের আগে এই সরকারের হাতে আছে মাত্র চার মাসের মতো।

ফলে, নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে প্রতিরক্ষা খাতে প্রায় ১৫ হাজার কোটি টাকার ক্রয়চুক্তি করা এই সরকারের জন্য কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে সন্দিহান সামরিক খাতের বিশেষজ্ঞরা।

তবে, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও যুদ্ধের প্রস্তুতি সংক্রান্ত নিরাপত্তা সক্ষমতা (ডেফারেন্স) বজায় রাখতে বাংলাদেশের যুদ্ধবিমান কেনা প্রয়োজন বলেও স্বীকার করেন তারা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আ.ন.ম মুনীরুজ্জামান বিবিসি বাংলাকে বলেন, যে কোনো দেশকে হুমকি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষার জন্য যুদ্ধবিমানসহ সব ধরনের প্রস্তুতি রাখতে হয়।

তবে তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকার নয়, বরং নির্বাচিত সরকারেরই এই ক্রয় সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত।

বিবিসি বাংলাকে তিনি আরও বলেন, কোনো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যারা সাময়িকভাবে দেশের শাসনভার নিয়েছেন এবং তারা তাদের তাদের মেয়াদের শেষ প্রান্তে চলে আসছেন, বলতে গেলে ইলেকশনের থেকে খুব কাছাকাছি সময় এরকম বড় ধরনের কোনো কেনাকাটার দিকে সেই সরকারের হস্তক্ষেপ করা উচিত না বলে আমি মনে করি।

আ.ন.ম মুনীরুজ্জামান বলেন, এই যুদ্ধবিমানগুলো কিনতে প্রায় দুই দশমিক দুই বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা লাগবে। কাজেই এতো বড় একটা ক্রয় যেটা তারা করার সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা পরবর্তী যে নির্বাচিত সরকার আসবে তাদের ঘাড়ে গিয়ে পড়বে। কাজেই এই ধরনের সিদ্ধান্তটা সাধারণত এই শেষ মুহূর্তে এসে কোনো সরকারের নেওয়া উচিত হবে না।

তিনি মনে করেন, যেহেতু একটা নির্বাচিত সরকারের দিকে যাচ্ছে বাংলাদেশ, সেক্ষেত্রে তাদের ওপরই এই সিদ্ধান্তের ভার দেওয়া উচিত।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলেও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কেনা নিয়ে বেশ তোড়জোড় ও আলোচনা হতে দেখা গিয়েছিল। ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশের যুদ্ধবিমান ক্রয় সংক্রান্ত আলোচনা শুরু হয় বলে জানান সামরিক খাতের বিশেষজ্ঞরা।

সেসময় বাংলাদেশ ফ্রান্সের তৈরি রাফাল, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ইউরো ফাইটার টাইফুন এবং যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এফ-১৬; এই তিনটি থেকে কোন যুদ্ধবিমান কেনা হবে; সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরে, ২০২৩ সালের ১০ই সেপ্টেম্বর দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাঁক্রো। সেসময় ফ্রান্সের তৈরি রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয় বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

তবে, করোনা মহামারীর সময় আর্থিক সংকটে এসব আলোচনা থমকে গিয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবার যুদ্ধবিমান কেনার আলোচনা সামনে এলো।