হাসপাতালের মেঝেতে ৫ ঘণ্টা পড়ে ছিল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
- আপডেট সময় : ০৮:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫ ১২৩ বার পড়া হয়েছে

ছবি:সংগৃহীত
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেঝেতে পরিচয় অজ্ঞাত থাকার কারণে পাঁচ ঘণ্টা ধরে পড়ে ছিল এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ।
মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বুধবার (১ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর এলাকায় সিএনজি অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে ট্রলির নিচে চাপা পড়ে গুরুতর আহত হয় ওই ছাত্রী। স্থানীয়দের সহায়তায় সিএনজির অন্যান্য যাত্রীরা তাকে উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ পরই তার মৃত্যু হয়।
তবে মরদেহের নাম-পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় বিপত্তি দেখা দেয়। কোনভাবেই নিহতের পরিচয় পাওয়া যাচ্ছিল না। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে একের পর এক পোস্ট কপি হয়ে ভাইরাল হয়। পরে পুলিশও বিভিন্নভাবে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চালায়। অবশেষে বিকাল ৩টার দিকে নিহতের পরিবারের খোঁজ মেলে।
নিহত স্কুলছাত্রী মনিরা খাতুন (১৫), পাবনার লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া গ্রামের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি আওতাপাড়া নূরজাহান উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। সকালে প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে অটোরিকশায় রূপপুরের পথে রওনা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান তিনি।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, নিহতের নাম-পরিচয় শনাক্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।






















