থমথমে খাগড়াছড়ি, মরদেহ হস্তান্তর

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১৯ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি : সংগৃহীত

খাগড়াছড়িতে এক স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় সৃষ্ট উত্তেজনা ও সহিংসতার প্রেক্ষিতে জেলাজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। জুম্ম ছাত্র-জনতার ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চতুর্থ দিনের মতো চলমান থাকলেও, খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি-ঢাকা সড়কে কিছুটা যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ এখনও প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে রোববার গুইমারায় সহিংসতায় নিহত তিন পাহাড়ির মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার রাতেই তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই রাতে তাদের দাহক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কাজ করছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী এবং ১০টি প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। খাগড়াছড়ি পৌরসভা, সদর উপজেলা ও গুইমারা উপজেলায় এখনও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধারা তুলে নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, সোমবার প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারী জুম্ম ছাত্র-জনতার ৬ প্রতিনিধি বৈঠক করেন। তারা বৈঠকে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি পেশ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হলেও বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদরে এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ অনেকে আহত হন এবং গুইমারার রামসু বাজারসহ অনেক বাড়ি ও অফিস পুড়ে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

থমথমে খাগড়াছড়ি, মরদেহ হস্তান্তর

আপডেট সময় : ০৭:২০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি : সংগৃহীত

খাগড়াছড়িতে এক স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের ঘটনায় সৃষ্ট উত্তেজনা ও সহিংসতার প্রেক্ষিতে জেলাজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। জুম্ম ছাত্র-জনতার ডাকা অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চতুর্থ দিনের মতো চলমান থাকলেও, খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি-ঢাকা সড়কে কিছুটা যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। অভ্যন্তরীণ সড়ক যোগাযোগ এখনও প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে।

এদিকে রোববার গুইমারায় সহিংসতায় নিহত তিন পাহাড়ির মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার রাতেই তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই রাতে তাদের দাহক্রিয়া সম্পন্ন হয়।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসন কাজ করছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসন সেনাবাহিনী এবং ১০টি প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করেছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। খাগড়াছড়ি পৌরসভা, সদর উপজেলা ও গুইমারা উপজেলায় এখনও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধারা তুলে নেওয়া হবে।

সূত্র জানায়, সোমবার প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারী জুম্ম ছাত্র-জনতার ৬ প্রতিনিধি বৈঠক করেন। তারা বৈঠকে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহারসহ ৮ দফা দাবি পেশ করেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের অনুরোধ করা হলেও বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৩ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি সদরে এক স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর খাগড়াছড়ি ও গুইমারায় সংঘর্ষে তিনজন নিহত হন। এই সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ অনেকে আহত হন এবং গুইমারার রামসু বাজারসহ অনেক বাড়ি ও অফিস পুড়ে যায়।