সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তারের পর লাদাখের রাজধানীতে ইন্টারনেট বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে ভারতের লাদাখে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তার করার কয়েক ঘণ্টা পর অঞ্চলের রাজধানী লেহে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমটি এই খবর জানায়।

এর আগে, গত বুধবারের তীব্র বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু এবং ৯০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার পর লেহে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সোনম ওয়াংচুক বিক্ষোভে ‘উস্কানি’ দিয়েছে বলে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

নিউজ ১৮ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে অনশনে বসেছিলেন ওয়াংচুক। ১৫ দিন পর ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি অনশন শেষ করেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ছয় বছর ধরে স্থানীয় নাগরিক সংস্থাগুলোর নেতৃত্বে লাদাখের হাজার হাজার মানুষ শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছে এবং অনশন করেছে- ভারতের কাছ থেকে বৃহত্তর সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং রাজ্যের দাবিতে। ২০১৯ সাল থেকে এই অঞ্চলকে ফেডারেলভাবে শাসন করছে। কিন্তু তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষমতা চায়।

ধারাবাহিক অনশন ধর্মঘটের নেতৃত্ব দেওয়া সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক গ্রেপ্তারের আগে বলেছিলেন, জনগণের দাবির ধারাবাহিকতায় বুধবার হতাশ তরুণদের একটি দল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে সরে এসেছিল।

নিউজ ১৮ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে মোদি সরকার একতরফাভাবে ভারতীয় সংবিধানের অধীনে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের আধা-স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা এবং রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেয়। রাজ্যটিতে তিনটি অঞ্চল ছিল- মুসলিম-প্রধান কাশ্মীর উপত্যকা, হিন্দু-প্রধান জম্মু এবং লাদাখ- যেখানে মুসলিম ও বৌদ্ধ উভয়ই জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তারের পর লাদাখের রাজধানীতে ইন্টারনেট বন্ধ

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

রাজ্যের মর্যাদার দাবিতে ভারতের লাদাখে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে গ্রেপ্তার করার কয়েক ঘণ্টা পর অঞ্চলের রাজধানী লেহে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮।

শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যমটি এই খবর জানায়।

এর আগে, গত বুধবারের তীব্র বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে চার জনের মৃত্যু এবং ৯০ জনেরও বেশি আহত হওয়ার পর লেহে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সোনম ওয়াংচুক বিক্ষোভে ‘উস্কানি’ দিয়েছে বলে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার দাবি করলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

নিউজ ১৮ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে অনশনে বসেছিলেন ওয়াংচুক। ১৫ দিন পর ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি অনশন শেষ করেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ছয় বছর ধরে স্থানীয় নাগরিক সংস্থাগুলোর নেতৃত্বে লাদাখের হাজার হাজার মানুষ শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেছে এবং অনশন করেছে- ভারতের কাছ থেকে বৃহত্তর সাংবিধানিক সুরক্ষা এবং রাজ্যের দাবিতে। ২০১৯ সাল থেকে এই অঞ্চলকে ফেডারেলভাবে শাসন করছে। কিন্তু তারা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ক্ষমতা চায়।

ধারাবাহিক অনশন ধর্মঘটের নেতৃত্ব দেওয়া সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক গ্রেপ্তারের আগে বলেছিলেন, জনগণের দাবির ধারাবাহিকতায় বুধবার হতাশ তরুণদের একটি দল শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ থেকে সরে এসেছিল।

নিউজ ১৮ এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৯ সালে মোদি সরকার একতরফাভাবে ভারতীয় সংবিধানের অধীনে ভারত-শাসিত কাশ্মীরের আধা-স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা এবং রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেয়। রাজ্যটিতে তিনটি অঞ্চল ছিল- মুসলিম-প্রধান কাশ্মীর উপত্যকা, হিন্দু-প্রধান জম্মু এবং লাদাখ- যেখানে মুসলিম ও বৌদ্ধ উভয়ই জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ।