লোহার পাইপ দিয়ে হঠাৎ চা বিক্রেতার মাথায় আঘাত, অতঃপর…

সময়ের সন্ধানে প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২০ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

রাজধানীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতের নাম মো. বাবলু মিয়া (৪০)। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। বর্তমানে তিনি তালতলা জনতা হাউজিংয়ে থাকতেন ও হাউজিংয়ের গেটের সামনে ফুটপাতে চা-সিগারেট বিক্রি করতেন।

নিহতের বেয়াই আব্দুর রউফ বলেন, বাবলুর দোকানের পাশেই রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তির একটি টং দোকানে চা বিক্রি করতেন বাবলুর মা। তবে কিছুদিন আগে সেই দোকানটি দখল হয়ে যায়। পরবর্তীতে গতরাতে সেই দোকানকে কেন্দ্র করে বাবলু এবং দোকান মালিক রুহুল আমিনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রুহুল আমিন লোহার পাইপ দিয়ে বাবলুর মাথায় আঘাত করে। এ ছাড়া তার ছোট দুই ভাই বুলবুল, মকিদুল ও বেয়াই মাহতাবকেও মারধর করে আহত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আহত অবস্থায় তাদেরকে প্রথমে আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি দেখে বাবলুকে রাতে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

লোহার পাইপ দিয়ে হঠাৎ চা বিক্রেতার মাথায় আঘাত, অতঃপর…

আপডেট সময় : ০৭:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

রাজধানীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আগারগাঁওয়ের তালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নিহতের নাম মো. বাবলু মিয়া (৪০)। তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলায়। বর্তমানে তিনি তালতলা জনতা হাউজিংয়ে থাকতেন ও হাউজিংয়ের গেটের সামনে ফুটপাতে চা-সিগারেট বিক্রি করতেন।

নিহতের বেয়াই আব্দুর রউফ বলেন, বাবলুর দোকানের পাশেই রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তির একটি টং দোকানে চা বিক্রি করতেন বাবলুর মা। তবে কিছুদিন আগে সেই দোকানটি দখল হয়ে যায়। পরবর্তীতে গতরাতে সেই দোকানকে কেন্দ্র করে বাবলু এবং দোকান মালিক রুহুল আমিনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রুহুল আমিন লোহার পাইপ দিয়ে বাবলুর মাথায় আঘাত করে। এ ছাড়া তার ছোট দুই ভাই বুলবুল, মকিদুল ও বেয়াই মাহতাবকেও মারধর করে আহত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, আহত অবস্থায় তাদেরকে প্রথমে আগারগাঁও নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি দেখে বাবলুকে রাতে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।