২ সন্তানকে হত্যার পর লাশ লুকিয়ে রাখেন স্যুটকেসে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডে দুই সন্তান হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন দক্ষিণ কোরীয় বংশোদ্ভূত এক নারী। অভিযুক্তের নাম হাকইয়াং লি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ২০১৮ সালে আট ও ছয় বছর বয়সী দুই সন্তানকে ওষুধের ওভারডোজ দিয়ে হত্যা করেন লি। এরপর তাদের মরদেহ প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়িয়ে স্যুটকেসে ভরে রাখেন। নিহত শিশুদের বাবা ২০১৭ সালের শেষের দিকে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

২০১৮ সালের পর লি দক্ষিণ কোরিয়ায় চলে যান। তবে ২০২২ সালে একটি পরিবার অনলাইনে নিলাম থেকে স্টোরেজ লকার কেনার পর সেখানে থাকা দুটি স্যুটকেস থেকে শিশুদের মরদেহ উদ্ধার হয়। ওই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়া থেকে লিকে নিউজিল্যান্ডে ফেরত পাঠানো হয় এবং বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বিচার প্রক্রিয়ার সময় লি নিজেই নিজের পক্ষে লড়াই করেন, তবে দুইজন আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করেন। শুনানিতে জানানো হয়, মানসিকভাবে অসুস্থ থাকার কারণে শুরুতে তিনি হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে সন্তানদের হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।

বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে চেপে কাবুল থেকে দিল্লি এলো ১৩ বছরের আফগান কিশোর
আজ আদালতে রায় ঘোষণার সময় লি মাথা নত করে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। বিচারক রায় ঘোষণা করার পরও তার মুখে কোনো অভিব্যক্তি দেখা যায়নি। মামলার শুনানি শেষে প্রসিকিউশন কিংবা ডিফেন্স কোনো পক্ষই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেনি।

সূত্র : রয়টার্স

নিউজটি শেয়ার করুন

২ সন্তানকে হত্যার পর লাশ লুকিয়ে রাখেন স্যুটকেসে

আপডেট সময় : ০৭:০৩:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

নিউজিল্যান্ডে দুই সন্তান হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন দক্ষিণ কোরীয় বংশোদ্ভূত এক নারী। অভিযুক্তের নাম হাকইয়াং লি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ২০১৮ সালে আট ও ছয় বছর বয়সী দুই সন্তানকে ওষুধের ওভারডোজ দিয়ে হত্যা করেন লি। এরপর তাদের মরদেহ প্লাস্টিকের ব্যাগে মুড়িয়ে স্যুটকেসে ভরে রাখেন। নিহত শিশুদের বাবা ২০১৭ সালের শেষের দিকে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

২০১৮ সালের পর লি দক্ষিণ কোরিয়ায় চলে যান। তবে ২০২২ সালে একটি পরিবার অনলাইনে নিলাম থেকে স্টোরেজ লকার কেনার পর সেখানে থাকা দুটি স্যুটকেস থেকে শিশুদের মরদেহ উদ্ধার হয়। ওই ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়া থেকে লিকে নিউজিল্যান্ডে ফেরত পাঠানো হয় এবং বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

বিচার প্রক্রিয়ার সময় লি নিজেই নিজের পক্ষে লড়াই করেন, তবে দুইজন আইনজীবী তাকে সহযোগিতা করেন। শুনানিতে জানানো হয়, মানসিকভাবে অসুস্থ থাকার কারণে শুরুতে তিনি হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে সন্তানদের হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন।

বিমানের ল্যান্ডিং গিয়ারে চেপে কাবুল থেকে দিল্লি এলো ১৩ বছরের আফগান কিশোর
আজ আদালতে রায় ঘোষণার সময় লি মাথা নত করে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। বিচারক রায় ঘোষণা করার পরও তার মুখে কোনো অভিব্যক্তি দেখা যায়নি। মামলার শুনানি শেষে প্রসিকিউশন কিংবা ডিফেন্স কোনো পক্ষই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেনি।

সূত্র : রয়টার্স