ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর নতুন আরেক পদক্ষেপ নিল যুক্তরাজ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৬১ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘ ২৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান গণহত্যা বন্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে তাদেরই ঘনিষ্ঠ চার মিত্র দেশ—যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং পর্তুগাল। এদের মধ্যে যুক্তরাজ্য কেবল স্বীকৃতি দিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, নিজেদের সরকারি ওয়েবসাইটে ফিলিস্তিনের একটি মানচিত্রও আপডেট করেছে দেশটি। একইসঙ্গে পূর্বে উল্লেখ করা ‘অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল’ লেখার পরিবর্তে এখন লেখা হয়েছে শুধু ‘ফিলিস্তিন’।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর ওইদিনই সরকারি ওয়েবসাইটে এই আপডেট আনা হয়। খবর বিবিসির।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটসহ ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের ভ্রমণ পরামর্শ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট, বিদেশে পররাষ্ট্র দপ্তরের মিশনের তালিকায় এবং অঞ্চলের সরকারি মানচিত্রে এসব পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কার্যকারিতা রক্ষা এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তির পথ তৈরির জন্য ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বলতে পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকায় একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনকে বোঝায়, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। মূলত ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের পূর্ববর্তী ধারা অনুসারে এটি হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি উভয় জনগণের সমান অধিকার রক্ষা ও শান্তির পথে সমর্থন করার জন্য বৃহত্তর আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর নতুন আরেক পদক্ষেপ নিল যুক্তরাজ্য

আপডেট সময় : ০৭:০৬:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের গাজায় দীর্ঘ ২৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান গণহত্যা বন্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ বাড়াতে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে তাদেরই ঘনিষ্ঠ চার মিত্র দেশ—যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং পর্তুগাল। এদের মধ্যে যুক্তরাজ্য কেবল স্বীকৃতি দিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, নিজেদের সরকারি ওয়েবসাইটে ফিলিস্তিনের একটি মানচিত্রও আপডেট করেছে দেশটি। একইসঙ্গে পূর্বে উল্লেখ করা ‘অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল’ লেখার পরিবর্তে এখন লেখা হয়েছে শুধু ‘ফিলিস্তিন’।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর ওইদিনই সরকারি ওয়েবসাইটে এই আপডেট আনা হয়। খবর বিবিসির।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবর অনুসারে, যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটসহ ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের ভ্রমণ পরামর্শ সংক্রান্ত ওয়েবসাইট, বিদেশে পররাষ্ট্র দপ্তরের মিশনের তালিকায় এবং অঞ্চলের সরকারি মানচিত্রে এসব পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের কার্যকারিতা রক্ষা এবং ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তির পথ তৈরির জন্য ১৯৬৭ সালের সীমানার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বলতে পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকায় একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনকে বোঝায়, যার রাজধানী হবে পূর্ব জেরুজালেম। মূলত ১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েলি যুদ্ধের পূর্ববর্তী ধারা অনুসারে এটি হবে।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, ফিলিস্তিনি এবং ইসরায়েলি উভয় জনগণের সমান অধিকার রক্ষা ও শান্তির পথে সমর্থন করার জন্য বৃহত্তর আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।