চুয়াডাঙ্গায় আপন দুইভাইকে কুপিয়ে হত্যা

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১১১ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জেরে আপন দুইভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত আনোয়ার হোসেন ওরফে মিন্টা মিয়া (৬০) ও হামজা আলী (৪৫) উথলী গ্রামের বড় মসজিদ পাড়ার মৃত ক্ষুদে মন্ডলের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ৫ মাস আগে উথলী গ্রামের আমোদ আলীর ছেলে খোকার সঙ্গে হামজার গরু বেচাকেনা নিয়ে বিরোধ হয়। ১ সপ্তাহ আগে একই জেরে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে আজ সকালে উথলী গ্রামের ৭২ নং ব্রীজ মাঠে কৃষি কাজ করতে যান হামজা ও তার ভাই মিন্টা। এ সময় প্রতিপক্ষের ৮-১০ জন লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামজা ও মিন্টাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। তাদেরকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন স্থানীয়রা। সেখানে নেওয়ার আগেই মারা যান হামজা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিন্টা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান হামজা ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিন্টা। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় আপন দুইভাইকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ০৭:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জেরে আপন দুইভাইকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষরা।শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত আনোয়ার হোসেন ওরফে মিন্টা মিয়া (৬০) ও হামজা আলী (৪৫) উথলী গ্রামের বড় মসজিদ পাড়ার মৃত ক্ষুদে মন্ডলের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ৫ মাস আগে উথলী গ্রামের আমোদ আলীর ছেলে খোকার সঙ্গে হামজার গরু বেচাকেনা নিয়ে বিরোধ হয়। ১ সপ্তাহ আগে একই জেরে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে আজ সকালে উথলী গ্রামের ৭২ নং ব্রীজ মাঠে কৃষি কাজ করতে যান হামজা ও তার ভাই মিন্টা। এ সময় প্রতিপক্ষের ৮-১০ জন লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামজা ও মিন্টাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে চলে যায়। তাদেরকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেন স্থানীয়রা। সেখানে নেওয়ার আগেই মারা যান হামজা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিন্টা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ওয়াহিদ মাহমুদ রবিন বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মারা যান হামজা ও চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মিন্টা। তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন হোসেন বিশ্বাস জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে।