সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকরা বললেই খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়া হবে: ডা. জাহিদ ভারতে কতদিন থাকতে চান তা একান্তই শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত: জয়শঙ্কর খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান জামায়াত নেতাকে কোপালো নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী প্রশান্ত মহাসাগরের রহস্যময় গর্ত নিয়ে যা জানা গেলো  ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আ.লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু: তারেক রহমান ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে সরকারি চাকরিজীবী নিহত বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ছাগল চুরি করে নিয়ে গেল বিএসএফ বাংলাদেশ ও চীনকে সঙ্গে নিয়ে শক্তিশালী জোটের পরিকল্পনা পাকিস্তানের ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সংসদে ঢুকে পড়া গাধার ভিডিও, যা জানা গেল
সংবাদ শিরোনাম ::
চিকিৎসকরা বললেই খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়া হবে: ডা. জাহিদ ভারতে কতদিন থাকতে চান তা একান্তই শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত: জয়শঙ্কর খালেদা জিয়াকে দেখতে ফের এভারকেয়ারে জুবাইদা রহমান জামায়াত নেতাকে কোপালো নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী প্রশান্ত মহাসাগরের রহস্যময় গর্ত নিয়ে যা জানা গেলো  ঐতিহাসিকভাবেই ফ্যাসিস্ট আ.লীগ ছিল গণতন্ত্রের ভয়ংকর শত্রু: তারেক রহমান ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে সরকারি চাকরিজীবী নিহত বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ছাগল চুরি করে নিয়ে গেল বিএসএফ বাংলাদেশ ও চীনকে সঙ্গে নিয়ে শক্তিশালী জোটের পরিকল্পনা পাকিস্তানের ছড়িয়ে পড়েছে পাকিস্তানের সংসদে ঢুকে পড়া গাধার ভিডিও, যা জানা গেল

পাবনার একটি সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ভারতীয় নাগরিক!

পাবনা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

পাবনা সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় নাগরিক হয়েও বাংলাদেশে চাকরি করছেন।

অভিযুক্তের নাম সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী। তিনি পাবনা সদর উপজেলার বালিয়াহালট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

অভিযুক্ত সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী পাবনা সদর উপজেলার বালিয়াহালট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ভারতের জাতীয় পরিচয়পত্র ও আধার কার্ড হিসেবে তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার দক্ষিণ ব্যারাকপুর শহরের দমদমের সূর্যসেন পল্লি, ৪৬৭ এলাকার নির্মল কুমারের ছেলে। তবে পাবনা শহরের ২ ওয়ার্ডের বাসিন্দাও তিনি। সুখরঞ্জন চক্রবর্তীর ভারতীয় পরিচয়পত্রের তালিকাভুক্তির নাম্বার ০০০০/০০৮০২/৭৬৩৯৭ এবং আধার কার্ডের নাম্বার ৪০৫০২২৩৪৩৩৫১।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশ সরকারের চাকরিবিধি উপেক্ষা করেই প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন। অথচ তিনি পার্শ্ববর্তী ভারতের নাগরিক। সেখানে জমিজমা কিনেছেন। ফ্ল্যাট বাড়িও করেছেন। তার স্ত্রী ও বড় ছেলে ভারতেই থাকেন। ছোট ছেলে বাক প্রতিবন্ধী হওয়ায় ভাতা পান, এজন্য তাকে নিয়ে পাবনাতে থাকেন। মাঝেমধ্যে ১৫দিন/১ মাস ছুটি নিয়ে তারা ভারতে যান। সুখ রঞ্জন তার শ্বশুর দীপক কুমার রায়ের নামে সরকারি লিজ নেওয়া সম্পত্তি জালিয়াতি করে নিজের নামে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে সুখ রঞ্জন চক্রবর্তীর শ্যালক সুমন কুমার রায় বলেন, আমার বাবা শহরের মুরগি পট্টিতে সরকারি জমি লিজ নিয়ে বসবাস করতো। বাবা মারা যাওয়ার পর আমার মায়ের নামে লিজ দেওয়া হয়। মা মারা যাওয়ার পর কাউকে না জানিয়ে শুধুমাত্র আমার বোনকে একমাত্র উত্তরসূরি বানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে। এমনকি পৌরসভাতেও আমার একমাত্র বোনকে উত্তরসূরি বানিয়ে আবেদন দিয়েছে। আমার বাড়িতে বসবাস করে এখন আমাকেই বাড়িছাড়া করতে চায়।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল কবীর বলেন, আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে। কাগজপত্রও হাতে পেয়েছি। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা, এইসব কাগজপত্র বানানো যায়। আমার স্ত্রী-সন্তানরা ওর ভাইয়ের সঙ্গে ঝামেলা করে ভারতে চলে গেছে। তাদের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আমি আনার চেষ্টা করেছি কিন্তু তারা আসেনি। আমার বিরুদ্ধে তদন্ত হলে আমি সব ডকুমেন্টস আছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পাবনার একটি সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষক ভারতীয় নাগরিক!

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

পাবনা সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় নাগরিক হয়েও বাংলাদেশে চাকরি করছেন।

অভিযুক্তের নাম সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী। তিনি পাবনা সদর উপজেলার বালিয়াহালট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

অভিযুক্ত সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী পাবনা সদর উপজেলার বালিয়াহালট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ভারতের জাতীয় পরিচয়পত্র ও আধার কার্ড হিসেবে তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার দক্ষিণ ব্যারাকপুর শহরের দমদমের সূর্যসেন পল্লি, ৪৬৭ এলাকার নির্মল কুমারের ছেলে। তবে পাবনা শহরের ২ ওয়ার্ডের বাসিন্দাও তিনি। সুখরঞ্জন চক্রবর্তীর ভারতীয় পরিচয়পত্রের তালিকাভুক্তির নাম্বার ০০০০/০০৮০২/৭৬৩৯৭ এবং আধার কার্ডের নাম্বার ৪০৫০২২৩৪৩৩৫১।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী বাংলাদেশ সরকারের চাকরিবিধি উপেক্ষা করেই প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকরি করছেন। অথচ তিনি পার্শ্ববর্তী ভারতের নাগরিক। সেখানে জমিজমা কিনেছেন। ফ্ল্যাট বাড়িও করেছেন। তার স্ত্রী ও বড় ছেলে ভারতেই থাকেন। ছোট ছেলে বাক প্রতিবন্ধী হওয়ায় ভাতা পান, এজন্য তাকে নিয়ে পাবনাতে থাকেন। মাঝেমধ্যে ১৫দিন/১ মাস ছুটি নিয়ে তারা ভারতে যান। সুখ রঞ্জন তার শ্বশুর দীপক কুমার রায়ের নামে সরকারি লিজ নেওয়া সম্পত্তি জালিয়াতি করে নিজের নামে নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে সুখ রঞ্জন চক্রবর্তীর শ্যালক সুমন কুমার রায় বলেন, আমার বাবা শহরের মুরগি পট্টিতে সরকারি জমি লিজ নিয়ে বসবাস করতো। বাবা মারা যাওয়ার পর আমার মায়ের নামে লিজ দেওয়া হয়। মা মারা যাওয়ার পর কাউকে না জানিয়ে শুধুমাত্র আমার বোনকে একমাত্র উত্তরসূরি বানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেছে। এমনকি পৌরসভাতেও আমার একমাত্র বোনকে উত্তরসূরি বানিয়ে আবেদন দিয়েছে। আমার বাড়িতে বসবাস করে এখন আমাকেই বাড়িছাড়া করতে চায়।

অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে পাবনার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল কবীর বলেন, আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে। কাগজপত্রও হাতে পেয়েছি। তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দ্রুত তদন্ত রিপোর্ট পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সুখ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা, এইসব কাগজপত্র বানানো যায়। আমার স্ত্রী-সন্তানরা ওর ভাইয়ের সঙ্গে ঝামেলা করে ভারতে চলে গেছে। তাদের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আমি আনার চেষ্টা করেছি কিন্তু তারা আসেনি। আমার বিরুদ্ধে তদন্ত হলে আমি সব ডকুমেন্টস আছে।