বকা দেওয়ায় মা-মেয়ের বিষপান, অতপর… 

চাঁদপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর অভিমান করে একসাথে বিষপান করেছেন মা ও মেয়ে। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি মৃত্যুবরণ করলেও বেঁচে রয়েছেন মা।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ গ্রামের রাঢ়ী বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। বিষপানে মৃত্যুবরণকারী জান্নাত আক্তার (১৮) ওই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে।

এলাকাবাসী জানায়, পারুল বেগমের স্বামী জয়নাল আবেদীন মঙ্গলবার সকালে স্ত্রী পারুল বেগম ও ১৮ বছরের মেয়ে জান্নাত আক্তারকে বকাঝকা করেন। পরে তিনি তার স্টেশনারি দোকানে চলে যান। এই বকাঝকার কারণে রাগে-ক্ষোভে ও অভিমানে মা ও মেয়ে একসাথে বিষপান করেন। পরিবারের কেউ প্রথমে টের না পেলেও পরে তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততক্ষণে মেয়ে জান্নাত আক্তারকে আর জীবিত ফেরানো যায়নি। হাসপাতালেরই মারা যায় আর মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন মা পারুল বেগম।

ফরিদগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) জাকির জানায়, জান্নাতের মৃত্যুর পর মৃতদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বাবা জয়নাল। এক পর্যায়ে পুলিশের কাছে ঠিকানা ও তথ্য দিতে টালবাহানা করেন, এমনকি অসংলগ্ন কথাবার্তাও বলেন। এতে সন্দেহ তৈরি হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

বকা দেওয়ায় মা-মেয়ের বিষপান, অতপর… 

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুলাই ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর অভিমান করে একসাথে বিষপান করেছেন মা ও মেয়ে। শেষ পর্যন্ত মেয়েটি মৃত্যুবরণ করলেও বেঁচে রয়েছেন মা।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) উপজেলার রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের সাহেবগঞ্জ গ্রামের রাঢ়ী বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। বিষপানে মৃত্যুবরণকারী জান্নাত আক্তার (১৮) ওই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের মেয়ে।

এলাকাবাসী জানায়, পারুল বেগমের স্বামী জয়নাল আবেদীন মঙ্গলবার সকালে স্ত্রী পারুল বেগম ও ১৮ বছরের মেয়ে জান্নাত আক্তারকে বকাঝকা করেন। পরে তিনি তার স্টেশনারি দোকানে চলে যান। এই বকাঝকার কারণে রাগে-ক্ষোভে ও অভিমানে মা ও মেয়ে একসাথে বিষপান করেন। পরিবারের কেউ প্রথমে টের না পেলেও পরে তাদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ততক্ষণে মেয়ে জান্নাত আক্তারকে আর জীবিত ফেরানো যায়নি। হাসপাতালেরই মারা যায় আর মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন মা পারুল বেগম।

ফরিদগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) জাকির জানায়, জান্নাতের মৃত্যুর পর মৃতদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বাবা জয়নাল। এক পর্যায়ে পুলিশের কাছে ঠিকানা ও তথ্য দিতে টালবাহানা করেন, এমনকি অসংলগ্ন কথাবার্তাও বলেন। এতে সন্দেহ তৈরি হলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়।