গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কোটি টাকার কর লোপাট করেছে আরফান হোসেন

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৭:২০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১৩ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

শাহাদাত হোসেন,গাজীপুর

সুন্দরে পরিপূর্ণ সবুজে ভরপুর গাজীপুরের শ্রীপুর। আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শ্রীপুর উপজেলা। তন্মধ্যে শিল্পোন্নত শ্রীপুর পৌরসভা কাগজে কলমে প্রথম শ্রেণী হলেও বাস্তবচিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত! তবে পৌরসভার কর-বিভাগের চাকুরীজীবিদের জীবনমান শ্রীপুর পৌরসভার মতই প্রথম শ্রেণীর!

জানা যায়, শ্রীপুর পৌরসভার কর-নির্ধারক মোঃ আরফান হোসেন পৌরসভার স্বার্থ বিরোধী কাজ করে, নিজের অবৈধ স্বার্থ হাসিল করে আসছেন দীর্ঘদিন। তিনি ২০১৩ সালের পৌর কর আরোপ ও আদায় বিধিমালা সম্পুর্ণ লঙ্ঘন করে আরোপিত করের ৮০/৯০ শতাংশ কর মওকুফ করে! এবং নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে প্রকৃত কর-এর থেকে একটি অংশ পৌর তহবিলে জমা করে বাকী কর-এর টাকা নিজে লাভবান হচ্ছেন। ফলে কর-নির্ধারক আরফান লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পৌরসভা এবং উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে পৌরবাসি।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কর-নির্ধারক মোঃ আরফান হোসেন শ্রীপুর পৌরসভার জন্মসাল ২০০০ সালে শ্রীপুর পৌরসভায় যোগদান করে একটানা ১৫ বছর থেকে হালুয়াঘাট পৌরসভায় বদলি হয়। কিন্তু নারী কেলেঙ্কারি করে পুনরায় ২০২১ সালে বর্তমান কর্মস্থলে কর্মরত থেকে মাত্র ২৬ হাজার টাকা বেতনে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। জানা যায়, বানিজ্যিক স্থাপনাকে আবাসিক দেখিয়ে ও শিল্প কারখানার একাংশ স্থাপনা এসেসম্যান্টের আওতাভুক্ত না করে নিজে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীপুর পৌরসভা এক কর্মকর্তা বলেন, মূলত শ্রীপুর পৌরসভার দুর্নীতির আতুড়ঘর কর বিভাগ! এরা একই পদে একই স্থানে দীর্ঘদিন চাকুরীর সুবাদে নিজস্ব সিন্ডিকেট করে দুর্নীতি করে গড়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এমনকি প্রতি বাৎসরিক এডিট রির্পোটেও উল্লেখ্য করা হয় শ্রীপুর পৌরসভার কর তছরুপের রির্পোট!

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার কোটি টাকার কর লোপাট করেছে আরফান হোসেন

আপডেট সময় : ০৭:২০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

শাহাদাত হোসেন,গাজীপুর

সুন্দরে পরিপূর্ণ সবুজে ভরপুর গাজীপুরের শ্রীপুর। আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শ্রীপুর উপজেলা। তন্মধ্যে শিল্পোন্নত শ্রীপুর পৌরসভা কাগজে কলমে প্রথম শ্রেণী হলেও বাস্তবচিত্র সম্পূর্ণ বিপরীত! তবে পৌরসভার কর-বিভাগের চাকুরীজীবিদের জীবনমান শ্রীপুর পৌরসভার মতই প্রথম শ্রেণীর!

জানা যায়, শ্রীপুর পৌরসভার কর-নির্ধারক মোঃ আরফান হোসেন পৌরসভার স্বার্থ বিরোধী কাজ করে, নিজের অবৈধ স্বার্থ হাসিল করে আসছেন দীর্ঘদিন। তিনি ২০১৩ সালের পৌর কর আরোপ ও আদায় বিধিমালা সম্পুর্ণ লঙ্ঘন করে আরোপিত করের ৮০/৯০ শতাংশ কর মওকুফ করে! এবং নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে প্রকৃত কর-এর থেকে একটি অংশ পৌর তহবিলে জমা করে বাকী কর-এর টাকা নিজে লাভবান হচ্ছেন। ফলে কর-নির্ধারক আরফান লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পৌরসভা এবং উন্নয়ন বঞ্চিত হচ্ছে পৌরবাসি।

অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, কর-নির্ধারক মোঃ আরফান হোসেন শ্রীপুর পৌরসভার জন্মসাল ২০০০ সালে শ্রীপুর পৌরসভায় যোগদান করে একটানা ১৫ বছর থেকে হালুয়াঘাট পৌরসভায় বদলি হয়। কিন্তু নারী কেলেঙ্কারি করে পুনরায় ২০২১ সালে বর্তমান কর্মস্থলে কর্মরত থেকে মাত্র ২৬ হাজার টাকা বেতনে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। জানা যায়, বানিজ্যিক স্থাপনাকে আবাসিক দেখিয়ে ও শিল্প কারখানার একাংশ স্থাপনা এসেসম্যান্টের আওতাভুক্ত না করে নিজে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ গড়েছেন অবৈধ সম্পদের পাহাড়।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শ্রীপুর পৌরসভা এক কর্মকর্তা বলেন, মূলত শ্রীপুর পৌরসভার দুর্নীতির আতুড়ঘর কর বিভাগ! এরা একই পদে একই স্থানে দীর্ঘদিন চাকুরীর সুবাদে নিজস্ব সিন্ডিকেট করে দুর্নীতি করে গড়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পদ। এমনকি প্রতি বাৎসরিক এডিট রির্পোটেও উল্লেখ্য করা হয় শ্রীপুর পৌরসভার কর তছরুপের রির্পোট!