বিমানে করে ফ্রান্সে ইয়াবা পাঠানোর চেষ্টা, অতঃপর…

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ৮২ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

এবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগ। ফ্রান্সে পাঠানোর জন্য এ ট্যাবলেটগুলো কার্গোর মালামালের ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে হ্যাঙ্গার গেট-৮–এ নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির সময় এই মাদক শনাক্ত করা হয়।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ডাক বিভাগের মাধ্যমে ফ্রান্সের প্যারিসে রপ্তানির জন্য বুকিং দেওয়া মালামালের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ছিল এই চার হাজার পিস ইয়াবা। স্ক্রিনিংয়ের সময় কর্তব্যরত এভসেক সদস্যদের সতর্কতায় ট্যাবলেটগুলো শনাক্ত হয়।

ঘটনার পরপরই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বেবিচক কর্তৃপক্ষ জানায়, স্ক্রিনারের সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও নিখুঁত স্ক্রিনিংয়ের কারণেই এই চোরাচালানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এই সফলতা বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিমানে করে ফ্রান্সে ইয়াবা পাঠানোর চেষ্টা, অতঃপর…

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

এবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রপ্তানি কার্গো থেকে ৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বিভাগ। ফ্রান্সে পাঠানোর জন্য এ ট্যাবলেটগুলো কার্গোর মালামালের ভেতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে জানা গেছে।

বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে হ্যাঙ্গার গেট-৮–এ নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির সময় এই মাদক শনাক্ত করা হয়।

বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ডাক বিভাগের মাধ্যমে ফ্রান্সের প্যারিসে রপ্তানির জন্য বুকিং দেওয়া মালামালের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ছিল এই চার হাজার পিস ইয়াবা। স্ক্রিনিংয়ের সময় কর্তব্যরত এভসেক সদস্যদের সতর্কতায় ট্যাবলেটগুলো শনাক্ত হয়।

ঘটনার পরপরই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে অবহিত করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

বেবিচক কর্তৃপক্ষ জানায়, স্ক্রিনারের সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা ও নিখুঁত স্ক্রিনিংয়ের কারণেই এই চোরাচালানের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এই সফলতা বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।