বংশালে জুতার কারখানায় আগুন, তিনজন দগ্ধ

সময়ের সন্ধানে প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১২২ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

রাজধানীর বংশাল সিক্কাটুলি মাজার গলি এলাকায় একটি জুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। দগ্ধরা হলেন– আইনউদ্দিন (৪৫), আমির উদ্দিন (৪০) ও রুমান (১৬)।

দগ্ধ রুমান বলেন, আমরা একটি জুতার কারখানায় কাজ করি। রাতে কাজ করার সময় হঠাৎ সলিউশনের আঠা থেকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে আমরা দগ্ধ হই। পরে আমরা দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে এলে আমাদেরকে ভর্তি দেওয়া হয়। আমাদের শরীরের অবস্থা খারাপ, অনেকটাই পুড়ে গেছে।

রাজধানীজুড়ে পুলিশের তল্লাশি
এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, রাত সোয়া ২টার দিকে দগ্ধ তিনজনকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে আনা হলে তাদের হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে দগ্ধ তিনজনকে ভর্তি দেন চিকিৎসক। তাদের মধ্যে আইনউদ্দিনের শরীরের ২০ শতাংশ, আমির উদ্দিনের শরীরের ১০ শতাংশ ও রুমানের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বংশালে জুতার কারখানায় আগুন, তিনজন দগ্ধ

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

রাজধানীর বংশাল সিক্কাটুলি মাজার গলি এলাকায় একটি জুতার কারখানায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন।

রোববার (১৬ নভেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। দগ্ধরা হলেন– আইনউদ্দিন (৪৫), আমির উদ্দিন (৪০) ও রুমান (১৬)।

দগ্ধ রুমান বলেন, আমরা একটি জুতার কারখানায় কাজ করি। রাতে কাজ করার সময় হঠাৎ সলিউশনের আঠা থেকে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে আমরা দগ্ধ হই। পরে আমরা দগ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে এলে আমাদেরকে ভর্তি দেওয়া হয়। আমাদের শরীরের অবস্থা খারাপ, অনেকটাই পুড়ে গেছে।

রাজধানীজুড়ে পুলিশের তল্লাশি
এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, রাত সোয়া ২টার দিকে দগ্ধ তিনজনকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে আনা হলে তাদের হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে দগ্ধ তিনজনকে ভর্তি দেন চিকিৎসক। তাদের মধ্যে আইনউদ্দিনের শরীরের ২০ শতাংশ, আমির উদ্দিনের শরীরের ১০ শতাংশ ও রুমানের শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।