গাজীপুরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

গাজীপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ১০৪ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ এবং স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ধারালো দা দিয়ে স্ত্রীকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আহত ইমরান হোসেন (৪০) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতলা গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। তাঁর স্ত্রীর নাম রহিমা খাতুন (৩৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার ‘একতা ভিলা’র পঞ্চম তলা ভাড়া নিয়ে ইমরান হোসেন (পেশায় কসাই) ও রহিমা খাতুন তাঁদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে শারমিনকে নিয়ে থাকতেন। স্ত্রী ছিলেন গৃহিণী। এটি তাঁদের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে মতবিরোধ হয়। এর জেরে ইমরান হোসেন ধারালো দা দিয়ে প্রথমে স্ত্রী রহিমাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর তিনি নিজে একই দা দিয়ে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। এই ঘটনা তাঁদের মেয়ে শারমিন প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানা যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

গাজীপুরে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যার চেষ্টা

আপডেট সময় : ০৬:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী এলাকায় স্ত্রীর গলাকাটা মরদেহ এবং স্বামীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী ধারালো দা দিয়ে স্ত্রীকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আহত ইমরান হোসেন (৪০) ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট থানার আমতলা গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে। তাঁর স্ত্রীর নাম রহিমা খাতুন (৩৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোনাবাড়ী নওয়াব আলী মার্কেট এলাকার ‘একতা ভিলা’র পঞ্চম তলা ভাড়া নিয়ে ইমরান হোসেন (পেশায় কসাই) ও রহিমা খাতুন তাঁদের ১৬ বছর বয়সী মেয়ে শারমিনকে নিয়ে থাকতেন। স্ত্রী ছিলেন গৃহিণী। এটি তাঁদের দ্বিতীয় বিয়ে ছিল।

পারিবারিক কোনো বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে মতবিরোধ হয়। এর জেরে ইমরান হোসেন ধারালো দা দিয়ে প্রথমে স্ত্রী রহিমাকে গলা কেটে হত্যা করেন। এরপর তিনি নিজে একই দা দিয়ে গলা কেটে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। এই ঘটনা তাঁদের মেয়ে শারমিন প্রত্যক্ষ করেছেন বলে জানা যায়। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশকে খবর দেয়।