বিচারকপুত্রের মৃত্যুর আসল কারণ জানা গেল

সময়ের সন্ধানে প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৮:২০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫ ৯৪ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনের (১৯) ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) মর্গে তাওসিফের ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান মো. কফিল উদ্দিন এ তথ্য জানান।

চিকিৎসক কফিল উদ্দিন জানান, তাওসিফের দেহে ধারালো কিছু দিয়ে একাধিক আঘাত করা হয়েছে, যা ময়নাতদন্তের সময় আঘাতের চিহ্নগুলো দেখা গেছে। ফলে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে তাওসিফের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও তার গলায়, ডান পাশের ঊরু, এবং বাম পাশের পায়ে ডিপ ক্ষত আঘাতের চিন্হ রয়েছে।

অন্যদিকে, বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুর রহমান উপস্থিত থেকে ছেলে তাওসিফের মরদেহ গ্রহণ করেন। জামালপুর জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় খুন হন তাওসিফ। এ সময় আহত হয়ে হামলাকারী লিমন মিয়ার ও তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসী রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, বিচারকের ছেলেকে সম্ভবত শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় শ্বাসরোধ করার চিহ্ন রয়েছে। তার হাঁটুর নিচে পায়ের আঙুলে কাটা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচারকপুত্রের মৃত্যুর আসল কারণ জানা গেল

আপডেট সময় : ০৮:২০:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনের (১৯) ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) মর্গে তাওসিফের ময়নাতদন্ত শেষে ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান মো. কফিল উদ্দিন এ তথ্য জানান।

চিকিৎসক কফিল উদ্দিন জানান, তাওসিফের দেহে ধারালো কিছু দিয়ে একাধিক আঘাত করা হয়েছে, যা ময়নাতদন্তের সময় আঘাতের চিহ্নগুলো দেখা গেছে। ফলে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণে তাওসিফের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও তার গলায়, ডান পাশের ঊরু, এবং বাম পাশের পায়ে ডিপ ক্ষত আঘাতের চিন্হ রয়েছে।

অন্যদিকে, বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবদুর রহমান উপস্থিত থেকে ছেলে তাওসিফের মরদেহ গ্রহণ করেন। জামালপুর জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

এর আগে, বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় খুন হন তাওসিফ। এ সময় আহত হয়ে হামলাকারী লিমন মিয়ার ও তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসী রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, বিচারকের ছেলেকে সম্ভবত শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় শ্বাসরোধ করার চিহ্ন রয়েছে। তার হাঁটুর নিচে পায়ের আঙুলে কাটা রয়েছে।