সন্ত্রাসী’ মামুনকে গুলি করা দুই শুটারসহ গ্রেপ্তার ৫

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫ ৮৫ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুন (৫৫) হত্যায় অংশ নেওয়া দুই শুটারসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই শুটার পেশাদার। এ সময় দুইটি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি বলেন, রাজধানীর সূত্রাপুরে চাঞ্চল্যকর মামুন হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত দুইটি পিস্তল উদ্ধার এবং দুই শুটারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ বিষয়ে আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে, গত সোমবার (১০ নভেম্বর) পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তারিক সাইফ মামুনকে। স্বজনরা জানান, পুরোনো একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়ে রাজধানীর আফতাবনগরের বাসায় ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা মামুনকে গুলি করে হত্যা করে। দুই বছর আগেও রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।

পুলিশ বলছে, এই মামুন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। ‘ইমন-মামুন’ গ্রুপের অন্যতম প্রধান এই মামুন। একসময় ছিলেন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী। অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবেই পুলিশের খাতায় নিহত মামুনের নাম রয়েছে।

অস্ত্র ও স্পিডবোটসহ আটক চাঁদপুরের কুখ্যাত ডাকাত
পুলিশ বলছে, সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে হত্যার শিকার হওয়া মামুন একসময় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন। অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ বলছে, দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে মামুনকে গুলি করেছে। আরাফাত হোসেন নামের একজনের বর্ণনানুযায়ী, দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেল থেকে নেমে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়েন। প্রথম গুলিটি হাসপাতালের ওপরের দিকে করেন। সেটি সোজা তিনতলার কাচে গিয়ে লাগে। এরপর মামুনের বুকের ডান পাশে গুলি করেন। তার হাতেও গুলি লাগে। তাকে পেছন থেকে গুলি করা ব্যক্তিরা মাস্ক পরা ছিলেন। তার মধ্যে একজনের মাথায় ছিল ক্যাপ। ছয় থেকে সাতটি গুলি ছোড়েন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সন্ত্রাসী’ মামুনকে গুলি করা দুই শুটারসহ গ্রেপ্তার ৫

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুন (৫৫) হত্যায় অংশ নেওয়া দুই শুটারসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই শুটার পেশাদার। এ সময় দুইটি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) রাতে সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি বলেন, রাজধানীর সূত্রাপুরে চাঞ্চল্যকর মামুন হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত দুইটি পিস্তল উদ্ধার এবং দুই শুটারসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এ বিষয়ে আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে, গত সোমবার (১০ নভেম্বর) পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় তারিক সাইফ মামুনকে। স্বজনরা জানান, পুরোনো একটি মামলায় আদালতে হাজিরা দিয়ে রাজধানীর আফতাবনগরের বাসায় ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা মামুনকে গুলি করে হত্যা করে। দুই বছর আগেও রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল।

পুলিশ বলছে, এই মামুন তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। ‘ইমন-মামুন’ গ্রুপের অন্যতম প্রধান এই মামুন। একসময় ছিলেন আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী। অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

ডিএমপির লালবাগ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী বলেন, একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবেই পুলিশের খাতায় নিহত মামুনের নাম রয়েছে।

অস্ত্র ও স্পিডবোটসহ আটক চাঁদপুরের কুখ্যাত ডাকাত
পুলিশ বলছে, সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে হত্যার শিকার হওয়া মামুন একসময় আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন। অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ বলছে, দুর্বৃত্তরা খুব কাছ থেকে মামুনকে গুলি করেছে। আরাফাত হোসেন নামের একজনের বর্ণনানুযায়ী, দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেল থেকে নেমে এলোপাতাড়ি গুলি ছোঁড়েন। প্রথম গুলিটি হাসপাতালের ওপরের দিকে করেন। সেটি সোজা তিনতলার কাচে গিয়ে লাগে। এরপর মামুনের বুকের ডান পাশে গুলি করেন। তার হাতেও গুলি লাগে। তাকে পেছন থেকে গুলি করা ব্যক্তিরা মাস্ক পরা ছিলেন। তার মধ্যে একজনের মাথায় ছিল ক্যাপ। ছয় থেকে সাতটি গুলি ছোড়েন তারা।