হাদিকে হত্যাচেষ্টা, ছক কষা হচ্ছিল কয়েক মাস ধরে
- আপডেট সময় : ০৫:৫১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) গুলিবিদ্ধ হন। বেশ কয়েকদিন রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হবে। তার সঙ্গে সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন বড় দুই ভাই ওমর ফারুক এবং আবু বকর সিদ্দিক।
এদিকে, ওসমান হাদিকে গুলি করার ঘটনায় সংগঠিত নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত পাচ্ছে পুলিশ।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করে হামলাটি চালানো হয় এবং উদ্দেশ্য ছিল দেশে বড় ধরনের অস্থিতিশীলতা তৈরি করা; হামলার পরপরই পালানোর ছকও কার্যকর করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনায় জড়িত হিসেবে এ পর্যন্ত তিনজনকে শনাক্ত করা গেছে। তাদের মধ্যে মোটরসাইকেলের পেছনে বসে গুলি চালান ছাত্রলীগের নেতা ফয়সল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল, চালক ছিলেন আলমগীর শেখ। ঘটনার আগে হাদিকে অনুসরণকালে (রেকি) এই দুজনের সঙ্গে আরও একজন ছিলেন। তার নাম রুবেল। তিনি আদাবর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী বলে জানা গেছে।
হাদির বিভিন্ন গণসংযোগে ওই তিনজনের একসঙ্গে থাকার ছবিও পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে। এই তিনজনই আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র মনে করছে, হাদিকে হত্যার লক্ষ্যে কয়েক মাস ধরে ছক কষা হচ্ছিল। অন্তত দুই মাস ধরে শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা তাকে অনুসরণ করেছে। তফসিল ঘোষণার পরদিন তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করা ছিল অন্যতম লক্ষ্য। ওই ঘটনার দিন রাতে রাজধানীর বাড্ডায় বাসে আগুন ও কয়েকটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ এবং লক্ষ্মীপুরে নির্বাচন অফিসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। এসব ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, সর্বশেষ রোববার (১৫ ডিসেম্বর) রাতে যোগাযোগ করা হলে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর র্যাব নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকায় এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সল করিমের স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবীকে আটক করেছে। তাদের পল্টন থানায় সোপর্দ করা হয়।
হাদিকে গুলি করার ঘটনার আগে ফয়সল করিমের সঙ্গে তার স্ত্রী, শ্যালক ও বান্ধবীর মুঠোফোনে একাধিকবার কথা বলার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এতে তাদের সম্পৃক্ততা আছে কি না, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।



























