ভারতের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের বিষয়ে মুখ খুললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫ ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যেসব প্রকল্প ও চুক্তি ‘বাতিলের’ কথা হচ্ছে, তার অনেকগুলো বাস্তবে নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যেই তালিকা একজন উপদেষ্টার ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন, সেটা সঠিক নয়। এই তালিকার অধিকাংশ চুক্তি বাস্তবে নেই। একটি চুক্তি আছে অনেক পুরোনো। আর কয়েকটি চুক্তি আছে, যেগুলো পর্যালোচনার মধ্যে আছে , ঠিক ওই নামে নেই।

‘শুধু একটি চুক্তিই বাতিল হয়েছে—সেটি হলো ভারতীয় প্রতিরক্ষা কম্পানি জিআরএসইর সঙ্গে টাগবোট সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি।’

উপদেষ্টা জানান, ত্রিপুরা-চট্টগ্রাম রেল সংযোগ প্রকল্প, অভয়পুর-আখাউড়া রেলপথ সম্প্রসারণ নামে কোনও প্রকল্প নেই। আশুগঞ্জ-আগরতলা করিডর নামে নেই কিছু, যে নামে আছে তা হচ্ছে— আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-ধরখার-আখাউড়া স্থলবন্দর মহাসড়ককে চার লেন প্রকল্প, এটার একটা প্যাকেজ বাতিল হয়েছে। ‘ফেনী নদী পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ নামে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা একটা সমঝোতা স্মারক, সেটা বাতিল হয়নি। কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টন প্রকল্প বলে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা একটা সমঝোতা স্মারক। এটি স্থগিত হয়নি। বন্দরের ব্যবহার সংক্রান্ত সড়ক ও নৌপথ উন্নয়ন চুক্তি নামে কোনও চুক্তি নেই। যেটা আছে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য পরিবহন, সেটা বাতিল হয়নি। ফারাক্কা বাঁধ সংক্রান্ত প্রকল্পে বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতা প্রস্তাব– এরকম কিছু নেই। সিলেট-শিলচর সংযোগ প্রকল্প নামে কোনও প্রকল্প নেই। পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন সম্প্রসারণ চুক্তি– এরকম কোনও চুক্তি হয়নি।

একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
তিনি জানান, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাতিল হয়নি, প্রক্রিয়া চলছে। আদানি বিদ্যুৎ নিয়ে যেটা বলা হয়েছে, সেটা মোটামুটি ঠিক আছে। এটা পুনর্বিবেচনার জন্য আলোচনা চলছে। গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী বছর শেষ হবে। এটা নবায়নের জন্য আলোচনা হবে, যোগাযোগ চলছে। তিস্তা চুক্তি নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। খুব যে অগ্রগতি তা না। ভারতীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানি জিআরএসইর সঙ্গে টাগ বোট চুক্তি– এটা আমরা বাতিল করেছি। এটা বিবেচনা করে দেখা গেছে যে, বাংলাদেশের জন্য খুব একটা লাভজনক না।

প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়ার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে বলা হয়, ‘ভারতের সঙ্গে ১০টি চুক্তি বাতিল, বাকিগুলোও বিবেচনাধীন।’

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের বিষয়ে মুখ খুললেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৯:১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যেসব প্রকল্প ও চুক্তি ‘বাতিলের’ কথা হচ্ছে, তার অনেকগুলো বাস্তবে নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যেই তালিকা একজন উপদেষ্টার ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন, সেটা সঠিক নয়। এই তালিকার অধিকাংশ চুক্তি বাস্তবে নেই। একটি চুক্তি আছে অনেক পুরোনো। আর কয়েকটি চুক্তি আছে, যেগুলো পর্যালোচনার মধ্যে আছে , ঠিক ওই নামে নেই।

‘শুধু একটি চুক্তিই বাতিল হয়েছে—সেটি হলো ভারতীয় প্রতিরক্ষা কম্পানি জিআরএসইর সঙ্গে টাগবোট সরবরাহ সংক্রান্ত চুক্তি।’

উপদেষ্টা জানান, ত্রিপুরা-চট্টগ্রাম রেল সংযোগ প্রকল্প, অভয়পুর-আখাউড়া রেলপথ সম্প্রসারণ নামে কোনও প্রকল্প নেই। আশুগঞ্জ-আগরতলা করিডর নামে নেই কিছু, যে নামে আছে তা হচ্ছে— আশুগঞ্জ নদীবন্দর-সরাইল-ধরখার-আখাউড়া স্থলবন্দর মহাসড়ককে চার লেন প্রকল্প, এটার একটা প্যাকেজ বাতিল হয়েছে। ‘ফেনী নদী পানি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প’ নামে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা একটা সমঝোতা স্মারক, সেটা বাতিল হয়নি। কুশিয়ারা নদীর পানি বণ্টন প্রকল্প বলে কিছু নেই, যেটা আছে সেটা একটা সমঝোতা স্মারক। এটি স্থগিত হয়নি। বন্দরের ব্যবহার সংক্রান্ত সড়ক ও নৌপথ উন্নয়ন চুক্তি নামে কোনও চুক্তি নেই। যেটা আছে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পণ্য পরিবহন, সেটা বাতিল হয়নি। ফারাক্কা বাঁধ সংক্রান্ত প্রকল্পে বাংলাদেশের আর্থিক সহযোগিতা প্রস্তাব– এরকম কিছু নেই। সিলেট-শিলচর সংযোগ প্রকল্প নামে কোনও প্রকল্প নেই। পেট্রোলিয়াম পাইপলাইন সম্প্রসারণ চুক্তি– এরকম কোনও চুক্তি হয়নি।

একনেকে ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
তিনি জানান, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাতিল হয়নি, প্রক্রিয়া চলছে। আদানি বিদ্যুৎ নিয়ে যেটা বলা হয়েছে, সেটা মোটামুটি ঠিক আছে। এটা পুনর্বিবেচনার জন্য আলোচনা চলছে। গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী বছর শেষ হবে। এটা নবায়নের জন্য আলোচনা হবে, যোগাযোগ চলছে। তিস্তা চুক্তি নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। খুব যে অগ্রগতি তা না। ভারতীয় প্রতিরক্ষা কোম্পানি জিআরএসইর সঙ্গে টাগ বোট চুক্তি– এটা আমরা বাতিল করেছি। এটা বিবেচনা করে দেখা গেছে যে, বাংলাদেশের জন্য খুব একটা লাভজনক না।

প্রসঙ্গত, অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়ার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে বলা হয়, ‘ভারতের সঙ্গে ১০টি চুক্তি বাতিল, বাকিগুলোও বিবেচনাধীন।’