নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা–মায়ের পর মারা গেলেন ছেলে

নাটোর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১০:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ ১৭১ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা–মায়ের মৃত্যুর চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ছেলে মাসুদ রানা (৩৬)। 

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোরশেদ আলম। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।

এর আগে গত সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বনপাড়া–কুষ্টিয়া মহাসড়কের গুনাইহাটি এলাকায় ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয় দ্রুতগামী একটি বাস।

এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বনপাড়া পৌর শহরের কালিকাপুর মহল্লার আনছার আলী (৬০), লালপুর উপজেলার ধলা গ্রামের নয়ন ইসলাম (২৮) ও একই গ্রামের ভ্যানচালক মুনছের প্রামানিক (৬৫)। গুরুতর আহত হন আনছারের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৫৪) এবং দুই ছেলে মাসুদ রানা (৩৬) ও রাসেল (২৬)। ওই রাতেই রাজশাহী মেডিকেলে মারা যান রাশিদা বেগম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাঁচজন যাত্রী নিয়ে গুনাইহাটি মোড়ে সড়ক পার হচ্ছিল অটোরিকশাটি। এ সময় রংপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী কল্পনা এক্সপ্রেস নামের একটি বাস তাদের চাপা দেয়।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মোরশেদ আলম বলেন, দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘাতক বাসটি আটক করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নাটোরে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা–মায়ের পর মারা গেলেন ছেলে

আপডেট সময় : ১০:২১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

ছবি: সংগৃহীত

নাটোরের বড়াইগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা–মায়ের মৃত্যুর চার দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ছেলে মাসুদ রানা (৩৬)। 

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোরশেদ আলম। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে পাঁচজনে।

এর আগে গত সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার বনপাড়া–কুষ্টিয়া মহাসড়কের গুনাইহাটি এলাকায় ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনা ঘটে। বিয়ের দাওয়াতে যাওয়ার পথে যাত্রীবাহী ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাকে চাপা দেয় দ্রুতগামী একটি বাস।

এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বনপাড়া পৌর শহরের কালিকাপুর মহল্লার আনছার আলী (৬০), লালপুর উপজেলার ধলা গ্রামের নয়ন ইসলাম (২৮) ও একই গ্রামের ভ্যানচালক মুনছের প্রামানিক (৬৫)। গুরুতর আহত হন আনছারের স্ত্রী রাশিদা বেগম (৫৪) এবং দুই ছেলে মাসুদ রানা (৩৬) ও রাসেল (২৬)। ওই রাতেই রাজশাহী মেডিকেলে মারা যান রাশিদা বেগম।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাঁচজন যাত্রী নিয়ে গুনাইহাটি মোড়ে সড়ক পার হচ্ছিল অটোরিকশাটি। এ সময় রংপুর থেকে কুষ্টিয়াগামী কল্পনা এক্সপ্রেস নামের একটি বাস তাদের চাপা দেয়।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক মোরশেদ আলম বলেন, দুর্ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘাতক বাসটি আটক করা হলেও চালক ও সহকারী পালিয়ে গেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে।