রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে রেকর্ড উৎপাদন

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

বাগেরহাটে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। আগস্ট মাসে কেন্দ্রটি ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের (১০ হাজার ১০০ মিলিয়ন ইউনিট) ৭.১৫ শতাংশ।

গত তিন মাস ধরে প্ল্যান্টটি ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে ৬০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যার মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩৬.৪ মিলিয়ন ইউনিট।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রীর প্রতীক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল হলেও আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যালপ্রযুক্তি ব্যবহার করছে এবং আধুনিক পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা—ফ্লু-গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন, উন্নত ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, ২৭৫ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং জিরো লিকুইড ডিসচার্জ সিস্টেম—যা পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করছে।

স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্র শিল্পোন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র আজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের এক ভিত্তি স্তম্ভ।

নিউজটি শেয়ার করুন

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে রেকর্ড উৎপাদন

আপডেট সময় : ০৮:১৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

বাগেরহাটে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে নতুন রেকর্ড হয়েছে। আগস্ট মাসে কেন্দ্রটি ৭৭১.৭০ মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে। যা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের (১০ হাজার ১০০ মিলিয়ন ইউনিট) ৭.১৫ শতাংশ।

গত তিন মাস ধরে প্ল্যান্টটি ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে ৬০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে, যার মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৩৬.৪ মিলিয়ন ইউনিট।

মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাইভেট) লিমিটেডের উপ-মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) আনোয়ারুল আজিম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রীর প্রতীক এই বিদ্যুৎকেন্দ্র আমদানিকৃত কয়লার ওপর নির্ভরশীল হলেও আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যালপ্রযুক্তি ব্যবহার করছে এবং আধুনিক পরিবেশ সুরক্ষা ব্যবস্থা—ফ্লু-গ্যাস ডি-সালফারাইজেশন, উন্নত ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রিসিপিটেটর, ২৭৫ মিটার উচ্চতা সম্পন্ন চিমনি, ক্লোজড-সাইকেল কুলিং এবং জিরো লিকুইড ডিসচার্জ সিস্টেম—যা পরিচ্ছন্ন ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ নিশ্চিত করছে।

স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্র শিল্পোন্নয়ন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মৈত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্র আজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের এক ভিত্তি স্তম্ভ।