অপকর্মে বাধা দেওয়ায় প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

পিরোজপুর প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

পিরোজপুরে বিভিন্ন অপকর্মে বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে বিএনপির এক স্থানীয় নেতা খুন হয়েছেন।শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলার মঞ্জু মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম রেজাউল করিম ঝন্টু (৫০)। তিনি ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ভিটাবাড়িয়া গ্রামের আইয়ুব আলী খলিফার ছেলে। এ ছাড়া স্থানীয় এক প্রবাসীর ম্যানেজার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন ঝন্টু।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে একই এলাকার মজিবুর রহমান খানের ছেলে রুবেল (৩৫) ঝন্টুর বুকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় ঝন্টু পাশের ডোবায় পড়ে গেলে রুবেল সেখানে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে দ্রুত হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঝন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রুবেলের বিভিন্ন অপকর্মে দীর্ঘদিন ধরে বাধা দিয়ে আসছিলেন ঝন্টু। এ বিরোধের জেরেই হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রুবেল পলাতক রয়েছে। তবে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অপকর্মে বাধা দেওয়ায় প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

আপডেট সময় : ০৭:৩৯:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

পিরোজপুরে বিভিন্ন অপকর্মে বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে বিএনপির এক স্থানীয় নেতা খুন হয়েছেন।শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভান্ডারিয়া উপজেলার মঞ্জু মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম রেজাউল করিম ঝন্টু (৫০)। তিনি ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও ভিটাবাড়িয়া গ্রামের আইয়ুব আলী খলিফার ছেলে। এ ছাড়া স্থানীয় এক প্রবাসীর ম্যানেজার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন ঝন্টু।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে একই এলাকার মজিবুর রহমান খানের ছেলে রুবেল (৩৫) ঝন্টুর বুকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় ঝন্টু পাশের ডোবায় পড়ে গেলে রুবেল সেখানে গিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে উপর্যুপরি কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে দ্রুত হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঝন্টুকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রুবেলের বিভিন্ন অপকর্মে দীর্ঘদিন ধরে বাধা দিয়ে আসছিলেন ঝন্টু। এ বিরোধের জেরেই হত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রুবেল পলাতক রয়েছে। তবে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে।