ছেলের সঙ্গে বাবার ধস্তাধস্তি, পেটে ঢুকে গেল ছুরি

সময়ের সন্ধানে ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

রাজধানীতে নিজ বাসা থেকে এক নিরাপত্তাকর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে ডেমরা উত্তর বাজার এলাকার বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম ইসরাফিল (৫৫)। তিনি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সুতাপার এলাকার মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে। তিনি ডেমরা উত্তর বাজারে পরিবার নিয়ে থাকতেন।

ইসরাফিলের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার স্বামী নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করে। সে প্রায়ই আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেশা করতো। আজ বেলা ১১টার দিকে টাকা চায়। টাকা না দিলে আমাকে গালিগালাজ করে। তখন ছেলে এসে বাধা দেয়। এতে আমার স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছেলেকে মারতে যায়। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি হলে নিজের কাছে থাকা ওই অস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়।

ঢাকায় আবাসিক হোটেলে ঝুলছিল আশরাফুলের মরদেহ
এ বিষয়ে ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদ জানান, তারা খবর পেয়ে বাসা থেকে ইসরাফিলের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠান।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ছেলের সঙ্গে বাবার ধস্তাধস্তি, পেটে ঢুকে গেল ছুরি

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ছবি:সংগৃহীত

রাজধানীতে নিজ বাসা থেকে এক নিরাপত্তাকর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে ডেমরা উত্তর বাজার এলাকার বাসা থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম ইসরাফিল (৫৫)। তিনি নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সুতাপার এলাকার মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে। তিনি ডেমরা উত্তর বাজারে পরিবার নিয়ে থাকতেন।

ইসরাফিলের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার স্বামী নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করে। সে প্রায়ই আমার কাছ থেকে টাকা নিয়ে নেশা করতো। আজ বেলা ১১টার দিকে টাকা চায়। টাকা না দিলে আমাকে গালিগালাজ করে। তখন ছেলে এসে বাধা দেয়। এতে আমার স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছেলেকে মারতে যায়। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি হলে নিজের কাছে থাকা ওই অস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়।

ঢাকায় আবাসিক হোটেলে ঝুলছিল আশরাফুলের মরদেহ
এ বিষয়ে ডেমরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদ জানান, তারা খবর পেয়ে বাসা থেকে ইসরাফিলের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠান।

তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।