কাতারের পর জর্ডানেও মার্কিন রাডার ধ্বংস করল ইরান
- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে
{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংস করেছে ইরান। প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই রাডার ধ্বংস হওয়ায় ভবিষ্যতে হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গ জানায়, সিএনএনের বিশ্লেষণ করা স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে যে সংঘাতের শুরুর দিকেই জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত আরটিএক্স করপোরেশনের তৈরি এএন/টিপিওয়াই–২ রাডার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাটারি ও সহায়ক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়ে গেছে।
পরে এক মার্কিন কর্মকর্তা রাডার ধ্বংস হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ব্লুমবার্গ আরও জানায়, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট আটটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ও গুয়ামেও এমন ব্যবস্থা মোতায়েন আছে।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) জানিয়েছে, প্রতিটি থাড প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দাম প্রায় ১০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে শুধু এএন/টিপিওয়াই–২ রাডারটির দামই প্রায় ৩০ কোটি ডলার।
সিএসআইএস–এর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ টম কারাকো বলেন, ‘এগুলো অত্যন্ত দুষ্প্রাপ্য কৌশলগত সম্পদ। এর একটি হারানো বড় ধরনের ধাক্কা।’
তিনি আরও বলেন, ২০১২ সালের পরিকল্পনা অনুযায়ী মার্কিন সেনাবাহিনীর নয়টি থাড ব্যাটারি থাকার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে রয়েছে মাত্র আটটি। ফলে অতিরিক্ত কোনো টিপিওয়াই–২ রাডার হাতে নেই।
প্রতিটি থাড প্রতিরক্ষা ব্যাটারিতে প্রায় ৯০ জন সেনা সদস্য থাকে। এতে ট্রাকে বসানো ছয়টি লঞ্চার, মোট ৪৮টি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র (প্রতি লঞ্চারে ৮টি), একটি টিপিওয়াই–২ রাডার এবং একটি ফায়ার কন্ট্রোল ও যোগাযোগ ইউনিট থাকে।
লকহিড মার্টিন করপোরেশনের তৈরি প্রতিটি ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের দাম প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ ডলার।
প্যাসিফিক ফোরাম রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জ্যেষ্ঠ ফেলো উইলিয়াম অ্যালবার্ক বলেন, ‘সমন্বিত আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে এই ধরনের সরঞ্জাম যুদ্ধক্ষেত্রে মোতায়েন রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
এর আগে কাতারে অবস্থিত একটি কৌশলগত মার্কিন রাডার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে ইরান। আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের এক বিবৃতিতে কিছু উপগ্রহ ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে কাতারের আল উদেদ সামরিক ঘাঁটিতে অবস্থিত একটি অত্যাধুনিক কৌশলগত রাডার ধ্বংসের দৃশ্য দেখা গেছে।
ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত! ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত! বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, কাতারে অবস্থিত রাডারটি একটি বিস্তৃত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের অংশ ছিল, যা বুধবার স্থানীয় সময় ভোর পৌনে চারটায় পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।






















