১৪ বছরের কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে, স্বামী ও বাবা গ্রেপ্তার

মুন্সিগঞ্জ প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
সময়ের সন্ধানে মিডিয়া লিঃ সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি:সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগে কিশোরীর স্বামী আলম ফকির ও বাবা সোলেমান খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে উপজেলার আরধীপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট সোলেমান খান নিজের ১৪ বছরের মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেন দানেশ ফকিরের ছেলে আলম ফকিরের সঙ্গে। মেয়েটি পরে তার বড় ভাইবোনের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে স্বামীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা নুপুর বেগম শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আলম ফকিরকে ধর্ষণের অভিযোগে এবং কিশোরীর বাবা সোলেমান খানকে সহযোগিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া মামলায় কিশোরীর সৎমাসহ আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১৪ বছরের কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে, স্বামী ও বাবা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

ছবি:সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগে কিশোরীর স্বামী আলম ফকির ও বাবা সোলেমান খানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩০ আগস্ট) রাতে উপজেলার আরধীপাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট সোলেমান খান নিজের ১৪ বছরের মেয়েকে জোর করে বিয়ে দেন দানেশ ফকিরের ছেলে আলম ফকিরের সঙ্গে। মেয়েটি পরে তার বড় ভাইবোনের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে স্বামীর বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা নুপুর বেগম শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আলম ফকিরকে ধর্ষণের অভিযোগে এবং কিশোরীর বাবা সোলেমান খানকে সহযোগিতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। এছাড়া মামলায় কিশোরীর সৎমাসহ আরও তিনজনকে আসামি করা হয়েছে।

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান জানান, ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।